ভয়ে টাকা দিয়ে দিচ্ছেন দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা?
1 min read
আজকাল টাকা রোজগারের নিত্য নতুন উপায় বেরিয়ে আসছে। কিন্তু সাংবাদিকতার মতো পেশাতেও এইরকম ছবি?! মেনস্ট্রিম কিংবা প্রিন্ট কিংবা ডিজিটাল কোনো নির্দিষ্ট কাওকে বলছি না কিন্তু ২০২১ এর করোনার পর থেকে কেও কেও এইরকম করছে। আর সেই ছবি বার বার কখনো খবর আকারে উঠে আসছে কখনো ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে। শিক্ষিত সমাজের একটা অংশ যেমন সোশ্যাল মিডিয়া তে সংবাদ পরিবেশন করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । কেও এখান থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াথেকে কেও শুরু করে আজ প্রিন্ট কিংবা স্যাটালাই মিডিয়ার সাংবাদিকে পরিণত হয়েছে। আবার অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সর বৈধ ভাবে খবর কিংবা তথ্য পরিবেশন করে কখন বিজ্ঞাপন থেকে কিংবা কখনো কোনো রাজনৈতিক দল কে প্রমোট করে অর্থ রোজগার করে।। এই অব্দি সবকিছুই ঠিক ঠাক। সময়টা ২০২১ আর একটা অংশের লোক যাদের কারোর কারোর শিক্ষাগত যোগ্যতাও যথসামান্য তাদের এক অংশ নিজেদের এলাকার ভিডিও করতে লাগলো। কোনো দুর্ঘটনা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি কোনো অনুষ্ঠানে হলেই এরা উপস্থিত হতো। এদের কেও কেও আবার রাজনৈতিক দলের কর্মী। যদিও অধিকাংশ দের পরিচয় বাম দিক ঘেষা। এরা নিজেদের এলাকার কোনো ঘটনা হলে সেই ভিডিও তুলে দেওয়া শুরু করলো বিভিন্ন বড়ো হাউসের সাংবাদিক দের হাতে । তারা হয়তো ভাবল সব সময় সবজায়গায় যাওয়া সম্ভব নয় তাই তারা নিজেদের হাউসে সেই ভিডিও পাঠিয়ে দিলো আর দেদার সেই ভিডিও চলতে থাকল বড়ো টিভি চ্যানেলে। বিশ্বাস এতটাই বাড়তে লাগল যে মেন স্ট্রিমের কোনো কোনো চ্যানেলের বুম চলে গেলো এই সমস্ত মানুষদের হাতে। কারণ ওই হাউসের সাংবাদিক হয়তো ভাবতে লাগলো আমি কম খেটে বেশি খবর পাবো তাই দিয়েই দি বুমটা ওর হাতে। এখনে সেই সাংবাদিক হয়তো ভাবলেন ও না এই ছেলেটা আগে কতবার হাজত বাস করছে, কি কি অসাধু কাজে যুক্ত আছে। ভালো আচরণে রাস্তার অযোগ্য ছেলে এই সাংবাদিককের হাত ধরে পেয়ে গেলো সাংবাদিক পরিচয়। কখনো রাজনৈতিক কর্মী কখনো জেল খাটা আসামী কখনো মাছ ব্যাবসায়ী হয়ে উঠলো সাংবাদিক কারণ সেই এলাকার লোক জানলো এই ভিডিও টিভি চ্যানেল এ নিউজ চ্যানেলে চলছে তাই এ সাংবাদিক। এর পরেই দেখো আমার করা নিউজ টিভি তে এই ওই হাউসে চলছে, এই বলে প্রোমোটার কে চমকিয়ে জমি ব্যবসায়ী দের চমকিয়ে কখনো জেল খাটা মাফিয়াই হয়ে উঠলো সাংবাদিক। আর তাদের দেওয়া ভিডিও চোখ বন্ধ করে চলতে লাগলো বড়ো বড়ো বড়ো হাউসে। কোনো কোনো বড়ো হাউসের সাংবাদিকের সাথে পরিচয় করে এরা নিজেরাই প্রশাসনের সাথে অপরাধী দের সেটেলমেন্ট এর দরিয়া হয়ে উঠলো। কখনো পুলিশ পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের থেকে টাকা চাওয়া কখনো অন্য মেন স্ট্রিমের সাংবাদিক সেজে জোর করে প্রোমোটার দের থেকে টাকা আদায়।,এতোটাই বাড়াবাড়ি যে এরই মাঝে ভাইরাল হলো পুলিশ পরিচয় দিয়ে মানুষের থেকে টাকা আদায়ের এক ভিডিও,একটি ভিডিও ভাইরাল হলো ভাইরাল করলো কে আর একজন যে এইরকম কাজ করে অর্থ রোজগার করে ভাইরাল হলো এই ছেলেটির ভিডিও যে একটা সময়ে একাধিক বার হাজত বাস করছে। খবর বেরোলো একাধিক প্রথম শ্রেণীর পত্রিকায়। এর পরে কয়েকটা দিন চুপচাপ। তারপর আবারো শুরু কথায় কে মন্দির তৈরী করছে অবৈধ ভাবে, কথায় কোনো ছাত্রী শিক্ষক কে শ্লীলতা হানি করেছে বলে কান ধরে উঠবস করাচ্ছে সব জায়গায় এই দুই -তিনজনোর বাড়াবাড়ি মানে খবর চাপা হবে কিন্তু টাকা দিতে হবে। শুধু নিজেই না জুনিয়ার কয়েজন কে নিজের মতো তৈরী করে জাল ছড়িয়ে টাকা রোজগার, “খবর টা করতে এসেছি টাকা দিন না দিলেই খবর ” ব্যবসায়ীরা ভয়ে এদের বিরুদ্ধে মুখ না খুললেও কেও কেও সরব হচ্ছেন ঠিকই। যেখানে সেটেলমেন্ট হয় সেখানে গিয়ে যদি কেও খবর করে তাহলে টিম নিয়ে তার পিছনে লাগা তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করিয়ে খবর করানো সবকিছুই হয়। এ যেন এক জল জ্যান্ত সিন্ডিকেটে পরিণত হয়েছে। এটাও তো দুর্নীতি মুখ্যমন্ত্রীর যেই ক্লাব সবার জন্য তৈরী করে কেনো সেই ক্লাব ৫-৬জন নিজের বৌ বাচ্চা দের জন্য তাঁদের বড়ো করার জন্য ব্যবহার করে প্রশ্নঃ অথবা খবর করলেই ওই ছেলে টা খুবই খারাপ। অভিযোগ সরকার বা প্রশাসনের বিরুদ্ধে নয় অভিযোগ একটা সিস্টেম এর বিরুদ্ধে যেখানে একাধিক বার হাজত বাস করা মানুষ বা এদের মতো প্রাণী যারা প্রতিটা এলাকায় একজন করে রেখেছে যাদের বক্তব্য খবর দিবি টাকা দেবো। তারপর সেই খবর টা পেয়ে যদি দুর্নীতি বা অনৈতিক কিছু হয় টাকা দিলেই সেটেলমেন্ট যদি এই গল্পঃ হয় আর যে খবর দেবে সেও যদি কিছু কমিশন পায় তাহলে তো সিন্ডিকেট তো দমদমিয়ে বেড়ে উঠবে। আর এইরকম ক্রিমিনাল দের যদি কোনো সাংবাদিক আস্কারা দেয় তাহলে বুঝতে হবে কমিশনের সিন্ডিকেট চলছে বেশি কথা বললে দেওয়া হবে মিথ্যা কেস।