ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়লো পুলিশ
1 min read
দুর্নীতি দমন শাখার বড়সড় সাফল্য: হাওড়ায় ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধৃত সাব ইন্সপেক্টর, পাঁশকুড়ায় গ্রেফতার রক্ত পাচারকারীনিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা:ঝাড়গ্রামের পর এবার হাওড়া। ফের ঘুষ নিতে গিয়ে রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখা (অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ)-এর হাতে হাতেনাতে ধরা পড়লেন এক সরকারি আধিকারিক। এবার ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় হাতেনাতে পাকড়াও হলেন হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত ব্যাঁটরা থানার সাব ইন্সপেক্টর সুব্রত সরকার। একদিনে রাজ্যের দুই প্রান্ত থেকে জোড়া গ্রেফতারিতে বড়সড় সাফল্য পেল রাজ্য পুলিশ।সম্প্রতি আইপিএস মুরলীধর শর্মার নেতৃত্বে রাজ্য পুলিশের অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং সেখানে প্রচুর আইপিএস অফিসারকে নিযুক্ত করা হয়েছে। দুর্নীতি রুখতে এই শাখা যে কতটা তৎপর, তা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি থেকেই স্পষ্ট। জানা গিয়েছে, এদিন ব্যাঁটরা থানার সাব ইন্সপেক্টর সুব্রত সরকার যখন ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই ফাঁদ পেতে থাকা দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। ধৃত পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ‘প্রিভেনশন অফ করাপশন অ্যাক্ট’ বা দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে.উল্লেখ্য, রাজ্য পুলিশের এই দুর্নীতি দমন শাখা কিছুদিন আগেই ঝাড়গ্রামের জামবনি বিডিও অফিস থেকে বিমল সাহা নামে এক সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করেছিল। এক কনস্ট্রাক্টরের থেকে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় তাঁকে পাকড়াও করা হয়।তদন্তকারী অফিসাররা সেদিন একেবারে ছদ্মবেশে বিডিও অফিসে পৌঁছেছিলেন। ঘুষের টাকার মধ্যে আগে থেকেই বিশেষ রাসায়নিক মাখিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সাধারণত এই ধরনের ক্ষেত্রে ‘ফেনলফথালিন টেস্ট’-এর মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। অভিযুক্ত আধিকারিক যখন সেই টাকাগুলি হাতে নেন, তখন তাঁর হাতে রাসায়নিক লেগে যায়। এরপর জলে তাঁর হাত চোবানো হলে দেখা যায় জলের রং গোলাপি হয়ে যাচ্ছে, যার ফলে একেবারে হাতেনাতে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ-সহ ধরা পড়ে যান ওই ইঞ্জিনিয়ার।রাজ্য পুলিশের দুর্নীতি দমন শাখার এই ধারাবাহিক ও কড়া পদক্ষেপে দুর্নীতিগ্রস্তদের মধ্যে রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।