১১ বছর বয়সে বিয়ে, ১৩ বছরেই সন্তানের হেফাজত নিয়ে আইনি লড়াই — বাংলাদেশে ভাইরাল ঘটনা
1 min read
নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলাদেশে এক কিশোরীর অল্প বয়সে বিয়ে, মাতৃত্ব এবং পরবর্তীতে সন্তানের হেফাজত নিয়ে আইনি লড়াইয়ের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুই নামে এক কিশোরীর মাত্র ১১ বছর বয়সে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর ২২ বছর বয়সী সাকিব মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরের শুরুতে তাদের একটি সন্তানের জন্ম হয়। তবে কিছুদিনের মধ্যেই পারিবারিক অশান্তির জেরে জুইকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একই সঙ্গে সন্তানের হেফাজতও তার কাছে ছিল না।এরপর নিজের সন্তানকে ফিরে পেতে আইনি লড়াই শুরু করেন জুই। অভিযোগ, পুলিশ একাধিকবার শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের আইনি প্রক্রিয়ায় তলব করলেও তারা উপস্থিত হননি। পরে আদালতের নির্দেশে পুলিশের সহযোগিতায় শিশুটিকে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্রের দাবি।ঘটনাটি বাংলাদেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।এদিকে, শিশু বিবাহ প্রতিরোধে ভারত ও বাংলাদেশ—উভয় দেশেই আইন রয়েছে। তবে আইন প্রয়োগ, তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত, আদালতের নির্দেশ এবং প্রতিটি ঘটনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। শিশু বিবাহ ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু বিবাহ রোধ, কিশোর-কিশোরীদের শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগের মাধ্যমেই এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি কমানো সম্ভব।
